- Monday, March 08, 2010
- 0 Comments
Now you can let your friends listen to their favourite tunes every time they call you. Get welcome tunes on your grameenphone, wheather its post or pre-paid connection.
Play popular songs for as many friends as you like.
Register for welcome tune by going to message option of your mobile phone. Type (WT) (SPACE) (6 DIGIT CODE) and send to 4000. The song you choose will be added to your gallery and you'll recieve an SMS confirmation.
Please note, grameenphone will charge you for this service(15tk plus VAT for every song and an additional 30tk for every month you use the service for.
Choose your songs from the latest Bangla, Hindi and English hits below:
Bangla Band
Isha 312009
Cholo Boadle Jai 312010
Protikkha 312011
Ghum Banaya Shone 312012
Tarai Tarai Rotiya 312013
Se Je Bose Ache 312014
Din Gelo 312015
Maya Lagache 312016
Tumi Aakaser Buke 312017
Ami Khuje chi Tumi 312004
Keno Nishangota 312005
Ma 312006
Monshudu Monchy 312007
Nijhoom Rater Adhare 312008
Obak Bhubasha 312002
Taray Taray 312003
Bangla Folk
Allah Megdai 311001
Je Jhonpremer 311002
Khanchar Bhitordin 311003
Shunu Bhondu 311004
Bangla Modern
Asha Chilo 313001
Coffeehouse 313002
Mone Pore 313003
Bachbo Na MoraiJabo 313004
O Bundu Tumi 313005
English Classic
I will alwayz be right 331001
Missing U 331002
Sacrifice 331003
Right here waiting 321004
Quit playing gamez 321005
Wind of Change 321006
My heart will go on 321007
Crawling 321008
English Instrumental
If I could tell U 332001
Principlez of lust 332002
With an orchid 332003
English Popular
Boom Boom 333001
Everybody 333002
Itz my life 333003
Hotel California 323004
In Da Club 323005
Hurry Up 323006
Smells like teen spirit 323007
Enter Sandman 323008
Hindi Film Songs
Asiq Banaya 321001
Doom machale 321002
Kahu Na Kahu 321003
Tujai Deka 331004
Mohabbat hai 331005
Rang de Basanti 331006
Janeman 331007
Neal N Nikki 331008
Right here Ryt Nw 331009
Hindi Gazal
Aschisurath 322001
Daulavelena 322002
Janekch ke 322003
Hindi Modern
Kaanta laga 323001
Mera Naseeb 323002
Saiyan Di Main 323003
Jalak Dikhlaja 333004
Aadat 333005
Apki Kashish 333006
Asiq Banaya 333007
Main Dewana 333008
Yeh Pal 333009
Zara Nazrn Sai 333010
Sounds
Chicken 340001
Cow 340002
Elephant 340003
Ghost 340005
Toilet flush 340005
Wild monkeyz 340006
Laugh 340007
Play popular songs for as many friends as you like.
Register for welcome tune by going to message option of your mobile phone. Type (WT) (SPACE) (6 DIGIT CODE) and send to 4000. The song you choose will be added to your gallery and you'll recieve an SMS confirmation.
Please note, grameenphone will charge you for this service(15tk plus VAT for every song and an additional 30tk for every month you use the service for.
Choose your songs from the latest Bangla, Hindi and English hits below:
Bangla Band
Isha 312009
Cholo Boadle Jai 312010
Protikkha 312011
Ghum Banaya Shone 312012
Tarai Tarai Rotiya 312013
Se Je Bose Ache 312014
Din Gelo 312015
Maya Lagache 312016
Tumi Aakaser Buke 312017
Ami Khuje chi Tumi 312004
Keno Nishangota 312005
Ma 312006
Monshudu Monchy 312007
Nijhoom Rater Adhare 312008
Obak Bhubasha 312002
Taray Taray 312003
Bangla Folk
Allah Megdai 311001
Je Jhonpremer 311002
Khanchar Bhitordin 311003
Shunu Bhondu 311004
Bangla Modern
Asha Chilo 313001
Coffeehouse 313002
Mone Pore 313003
Bachbo Na MoraiJabo 313004
O Bundu Tumi 313005
English Classic
I will alwayz be right 331001
Missing U 331002
Sacrifice 331003
Right here waiting 321004
Quit playing gamez 321005
Wind of Change 321006
My heart will go on 321007
Crawling 321008
English Instrumental
If I could tell U 332001
Principlez of lust 332002
With an orchid 332003
English Popular
Boom Boom 333001
Everybody 333002
Itz my life 333003
Hotel California 323004
In Da Club 323005
Hurry Up 323006
Smells like teen spirit 323007
Enter Sandman 323008
Hindi Film Songs
Asiq Banaya 321001
Doom machale 321002
Kahu Na Kahu 321003
Tujai Deka 331004
Mohabbat hai 331005
Rang de Basanti 331006
Janeman 331007
Neal N Nikki 331008
Right here Ryt Nw 331009
Hindi Gazal
Aschisurath 322001
Daulavelena 322002
Janekch ke 322003
Hindi Modern
Kaanta laga 323001
Mera Naseeb 323002
Saiyan Di Main 323003
Jalak Dikhlaja 333004
Aadat 333005
Apki Kashish 333006
Asiq Banaya 333007
Main Dewana 333008
Yeh Pal 333009
Zara Nazrn Sai 333010
Sounds
Chicken 340001
Cow 340002
Elephant 340003
Ghost 340005
Toilet flush 340005
Wild monkeyz 340006
Laugh 340007
- Monday, March 08, 2010
- 0 Comments
আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল (জন্ম নভেম্বর ৯, ১৮৭৭; শিয়ালকোট, পাঞ্জাব - মৃত্যু: এপ্রিল ২১, ১৯৩৮) ছিলেন বিভাগপূর্ব ভারতবর্ষের মুসলিম কবি, দার্শনিক এবং রাজনীতিবিদ। তাঁর ফার্সী ও উর্দু কবিতা আধুনিক যুগের ফার্সী ও উর্দু সাহিত্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ইকবাল তাঁর ধর্মীয় ও ইসলামের রাজনৈতিক দর্শনের জন্যও বিশেষভাবে সমাদৃত ছিলেন। তাঁর একটি বিখ্যাত চিন্তা দর্শন হচ্ছে ভারতের মুসলমানদের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন। এই চিন্তাই বর্তমান পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখেছে। তাঁর নাম মুহাম্মদ ইকবাল হলেও তিনি আল্লামা ইকবাল হিসেবেই অধিক পরিচিত। আল্লামা শব্দের অর্থ হচ্ছে শিক্ষাবিদ । তাঁর ফার্সী সৃজনশীলতার জন্য ইরানেও তিনি ছিলেন সমধিক প্রসিদ্ধ; তিনি ইরানে ইকবাল-ই-লাহোরী নামে পরিচিত।
পারিবারিক ইতিহাস: তাঁর পিতামহ শেখ রফিক কাশ্মির হতে শিয়ালকোটে গিয়ে বসবাস শুরু করেন। শেখ রফিক ছিলেন কাশ্মিরী শাল তৈরী এবং ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন তিনি। তাঁর দু’টি পুত্র ছিলেন শেখ গোলাম কাদির এবং শেখ নুর মোহাম্মদ। শেখ নুর মোহাম্মদ ছিলেন ইকবালের পিতা। তিনি ছিলেন শিয়ালকোটের নামকরা দর্জি। শেখ নুর মোহাম্মদ কেবল পেশাগত দিক দিয়ে নয়, চিন্তাধারা এবং জীবন যাপনে ছিলেন ইসলামের প্রতি অত্যন্ত নিবেদিত প্রাণ। সুফি সঙ্গীদের কাছে তাঁর প্রচন্ড সম্মান ছিল। তাঁর স্ত্রী, মোহাম্মদ ইকবালের মা ইমাম বিবিও ছিলেন অত্যন্ত ধার্মিক মহিল। এই যুগল তাদের পাঁচ সন্তানের মধ্যে ইসলাম ধর্মের প্রতি গভীর অনুভুতির জন্ম দিয়েছিলেন।
শিক্ষা জীবন: পাঞ্জাবের বৃটিশ আর্মির কাছে শিখদের পরাজয়ের পর খ্রিষ্টান মিশনারীরা শিয়ালকোটে শিক্ষা প্রচারের উপর গুরুত্ব দিতে শুরু করেন। এই সময়েই শিয়ালকোটে স্কটিশ মিশন কলেজ স্থাপিত হয়। ১৮৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এ কলেজ লিবারেল আর্টস্ এর কোর্সসমূহের অনেকগুলোতেই আরবি ও ফার্সী ভাষা মাধ্যমে শিক্ষাদান করা হতো। যদিও এই সময় বেশীর ভাগ স্কুলেই ফার্সী ভাষার পরিবর্তে ইংরেজি ভাষা শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার শুরু হয়। এই স্কটিশ মিশন কলেজেই ইকবাল সর্বপ্রথম আধুনিক শিক্ষা প্রাপ্ত হন।
ইকবাল তাঁর কাব্য প্রতিভার স্বীকৃতি পান তাঁর শিক্ষক সাইয়িদ মীর হাসানের কাছ থেকে। ১৮৯২ সালে ইকবাল স্কটিশ মিশন কলেজ হতে তাঁর পড়াশোন শেষ করেন। একই বৎসরে গুজরাটি চিকিৎসকের মেয়ে করিম বিবির সাথে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের বিচ্ছেদ হয় ১৯১৬ সালে । এই বিয়েতে ইকবালের তিনটি সন্তান ছিল।
১৮৮৫ সালে স্কটিশ মিশন কলেজের পড়াশোনা শেষ করে ইকবাল লাহোরের সরকারী কলেজে ভর্তি হন। দর্শন, ইংরেজি ও আরবি সাহিত্য নিয়ে তিনি পড়াশোনা করেন এখান থেকে তিনি স্বর্ণ পদক নিয়ে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। ১৮৯৯ সালে যখন তিনি মাষ্টার্স ডিগ্রী লাভ করেন ততদিনে তিনি সাহিত্য অঙ্গনে পরিচিত ব্যক্তিত্ব।
মাষ্টার্স ডিগ্রীতে পড়বার সময় ইকবাল স্যার টমাস আর্নল্ড এর সংস্পর্শে আসেন। এই শিক্ষাবিদ ইসলাম ও আধুনিক দর্শনে বুৎপত্তি অর্জন করেছিলেন। ইকবালের কাছে তিনি প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করেছিলেন। স্যার টমাস আর্নল্ডই ইকবালকে ইউরোপে উচ্চ শিক্ষায় অনুপ্রাণিত করেছিলেন।
ইউরোপে ইকবাল: ইকবাল ১৯০৫ সাল হতে লন্ডনে আইন বিষয়ে পড়াশোনা শুরু করেন । তিন বৎসরের আইনের ডিগ্রী লাভ করেন কেম্বব্রিজ বিশ্ববিদ্যালের লিঙ্কনস্ ইন হতে। আর ডক্টরেট ডিগ্রী লাভ করেন জার্মানীর মিউনিখ বিশ্ববিদ্যালয় হতে।
রাজনীতি: টেনে থাকতেই ইকবাল সর্বপ্রথম রাজনীতির সংস্পর্শে আসেন। ১৯০৬ সালে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হবার পরপরই তিনি তাতে যোগ দেন। দলের বৃটিশ চ্যাপ্টারের এক্সিকিউটিভ কমিটিতে নির্বাচিত হন ইকবাল। সৈয়দ হাসান বিলগামী এবং সৈয়দ আমীর আলীর সাথে তিনি সাব-কমিটির সদস্য হিসেবে মুসলিম লীগের খসড়া সংবিধান প্রস্তুত করেন। এর পর ১৯২৬ সালে তিনি লাহোরের মুসলিম লীগের পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হন।
পেশাগত জীবন: ১৯০৮ সালে ইকবাল ইউরোপ হতে দেশে ফিরে আসেন এবং লাহোরের সরকারী কলেজে যোগদান করেন। এই সময় একই সাথে তিনি আইন ব্যবসা, শিক্ষাদান ও সাহিত্য চর্চা শুরু করেন। কিন্তু মূলত অর্থনৈতিক কারণেই তিনি ১৯০৯ সালে তিনি সার্বক্ষণিক আইন পেশায় নিয়োজিত হন। কিন্তু আয় রোজগারের ক্ষেত্রে এখানেও তিনি তেমন ভালো করতে পারেননি। এর কারণ তাঁর সাহিত্য প্রীতি এবং সেজন্যে সময় ব্যয় করা। তিনি তাঁর পিতাকে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে কবিতার বিনিময়ে কোনো অর্থ তিনি গ্রহণ করবেন না। অর্থনৈতিক দুরবস্থার কারণে তিনি সে প্রতিজ্ঞা রাখতে পারেননি। ইতোমধ্যেই বিখ্যাত কবি ইকবালকে বৃটিশ সরকার তাঁকে “আসরার-ই-খোদায়ী” পুস্তকের জন্য নাইট উপাধিতে ভূষিত করেন।
- Friday, March 05, 2010
- 0 Comments
Do it before its too late. Save our HOME, our PLANET, our MOTHER EARTH!"
""Prevention is better and easier than cure!""
Don't sacrifice your personality for the love
"Dreams are bridge between physical world, accessible through our senses and sacred realm, built at subconsciousness"
"love is the most powerful of all, can be ur weapon to achieve ur happiness or can also ruin you totally?"
""yah, no doubts about this idea because we became i think we become strong and secured if we know that there are people who love us that's why we love them back. But, if this love fade, this can also put us in the end
""
"Nobody ever did, or ever will, escape the consequences of his choices"
"There are a thousand Paths to every Right and even more to every Wrong!"
""People who want to do good would do it anyway, and People who want to do bad would find even more ways,""
"We need to achieve a balance between the stresses of daily life, personal goals, & romantic desires / relationship goals"
"Love is the strongest feeling that exists on earth!"
"All that we are is the result of what we have thought."
"There is no Limitation for ... imagination"
"In some relations "Letting Go" is the most difficult and the last thing you desire... "
"Sometimes it takes just a moment to create a memory of a lifetime."
"Stress is as much physical as psychological."
""Referring to the op "Psychology problems can manifest into physical problems."""
"a life without dreams is harder to live..."
"Mother's Love for her children is unconditional, unique,the strongest...."
""full of adoration, pride and affection.""
"No difficulties, no discovery; no pain, no gain"
"Hope for the best, but prepare for the worst."
"True love begins when nothing is looked for in return..."
"One old nice and romantic memory can make someone's day."
""It can bring back to u the whole nice time u spent with the nice loving ppl u had the time with , it also can remind u every nice words , warm smiles , romantic music , beautiful places and how hearts was dancing and hoping ""
"Respect yourself and the world will respect you."
"you are judged by your actions and words -"
"Meditation is nothing but coming to terms with your inner emptiness: -"
""recognizing it, not escaping; living through it, not escaping; being through it, not escaping. Then suddenly the emptiness becomes the fullness of life. When you don’t escape from it, it is the most beautiful thing, the purest, because only emptiness can be pure.""
"sometimes u shld remain silent for ur own good....."
"Always defend and respect your partner."
"Believing in the impossible will help you stretch beyond your normal limits."
"the easiest way to feel happy is to make others happy.."
"Life is like making investment... sometimes you need to take risk to get through it..."
"Success is never certain and failure is never final."
"Gratitude is not only the greatest of virtues, but the parent of all the others."
"Package tours are a lot more fun than traveling independently"
"Sooner or later we get bored of everything in life including all human and material objects!"
"Enthusiasm Is INFECTIOUS.."
"The road to success is dotted with many tempting parking places"
"Memories can be friend or foe !!!"
"we are all responsible for our own actions"
"The sign of maturing is not when we start saying big things but actually it is when we start understanding small things."
"Be passionate about everything you do."
"You know how to give , You know how to forgive."
""A giving person is a forgiving person..
""
"Failure is an event,"
""never a person.""
"No one can avoid love...when it comes, there is no way except falling in it.."
"Experience is simply the name we give our mistakes."
"Keep your head and your heart in the right direction and you don't have to worry about the feet ."
""Prevention is better and easier than cure!""
Don't sacrifice your personality for the love
"Dreams are bridge between physical world, accessible through our senses and sacred realm, built at subconsciousness"
"love is the most powerful of all, can be ur weapon to achieve ur happiness or can also ruin you totally?"
""yah, no doubts about this idea because we became i think we become strong and secured if we know that there are people who love us that's why we love them back. But, if this love fade, this can also put us in the end
"Nobody ever did, or ever will, escape the consequences of his choices"
"There are a thousand Paths to every Right and even more to every Wrong!"
""People who want to do good would do it anyway, and People who want to do bad would find even more ways,""
"We need to achieve a balance between the stresses of daily life, personal goals, & romantic desires / relationship goals"
"Love is the strongest feeling that exists on earth!"
"All that we are is the result of what we have thought."
"There is no Limitation for ... imagination"
"In some relations "Letting Go" is the most difficult and the last thing you desire... "
"Sometimes it takes just a moment to create a memory of a lifetime."
"Stress is as much physical as psychological."
""Referring to the op "Psychology problems can manifest into physical problems."""
"a life without dreams is harder to live..."
"Mother's Love for her children is unconditional, unique,the strongest...."
""full of adoration, pride and affection.""
"No difficulties, no discovery; no pain, no gain"
"Hope for the best, but prepare for the worst."
"True love begins when nothing is looked for in return..."
"One old nice and romantic memory can make someone's day."
""It can bring back to u the whole nice time u spent with the nice loving ppl u had the time with , it also can remind u every nice words , warm smiles , romantic music , beautiful places and how hearts was dancing and hoping ""
"Respect yourself and the world will respect you."
"you are judged by your actions and words -"
"Meditation is nothing but coming to terms with your inner emptiness: -"
""recognizing it, not escaping; living through it, not escaping; being through it, not escaping. Then suddenly the emptiness becomes the fullness of life. When you don’t escape from it, it is the most beautiful thing, the purest, because only emptiness can be pure.""
"sometimes u shld remain silent for ur own good....."
"Always defend and respect your partner."
"Believing in the impossible will help you stretch beyond your normal limits."
"the easiest way to feel happy is to make others happy.."
"Life is like making investment... sometimes you need to take risk to get through it..."
"Success is never certain and failure is never final."
"Gratitude is not only the greatest of virtues, but the parent of all the others."
"Package tours are a lot more fun than traveling independently"
"Sooner or later we get bored of everything in life including all human and material objects!"
"Enthusiasm Is INFECTIOUS.."
"The road to success is dotted with many tempting parking places"
"Memories can be friend or foe !!!"
"we are all responsible for our own actions"
"The sign of maturing is not when we start saying big things but actually it is when we start understanding small things."
"Be passionate about everything you do."
"You know how to give , You know how to forgive."
""A giving person is a forgiving person..
"Failure is an event,"
""never a person.""
"No one can avoid love...when it comes, there is no way except falling in it.."
"Experience is simply the name we give our mistakes."
"Keep your head and your heart in the right direction and you don't have to worry about the feet ."
- Friday, March 05, 2010
- 0 Comments
শাহরুখ দিল্লীর পাঠান মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তাঁর পিতা তাজ মোহম্মদ খান ছিলেন ভারতীয় স্বাধীনতাসংগ্রামী এবং মা লতিফ ফাতিমা ছিলেন একজন ম্যাজিষ্ট্রেট ও সমাজসেবী। যিনি জাঞ্জুয়া রাজপুত পরিবারের মেজর জেনারেল শাহ নওয়াজ খানের কন্যা। শাহ নওয়াজ খান সুভাষ চন্দ্র বোসের অধীনে আজাদ হিন্দ ফৌজের অধিনায়ক ছিলেন।
শাহরুখ খানের পিতা ভারত ভাগের আগে বর্তমান পাকিস্তানের পেশোয়ারের কিসসা কহানী বাজার থেকে দিল্লীতে চলে আসেন। তার মায়ের বাড়ি ছিল পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে। শাহরুখ খানের শেহনাজ নামে একজন বড় বোন রয়েছে।
শাহরুখ দিল্লীর সেইন্ট কলম্বাস স্কুলে পড়তেন এবং এখানে তিনি ক্রীড়া, নাটক ও পড়াশোনায় কৃতিত্ব অর্জন করেন। এখানে তাকে সম্মানজনক সোর্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরে তিনি হন্সরাজ কলেজ থেকে (১৯৮৫-১৯৮৮) অর্থনীতিতে সম্মান ডিগ্রী লাভ করেন। এরপর জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে “মাস কম্যুনিকেশন” নিয়ে মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করেন।
তার পিতামাতার মৃত্যুর পর ১৯৯১ সালে শাহরুখ খান নতুনভাবে জীবন শুরু করার জন্য নতুন দিল্লী ত্যাগ করে মুম্বাইতে আসেন। ১৯৯১ সালে তিনি গৌরী (ছিব্বর) খানকে বিয়ে করেন। তাদের দুই সন্তান, ছেলে আরিয়ান খান (জন্ম ১৯৯৭) ও মেয়ে সুহানা খান (জন্ম ২০০০)।
যুক্তরাজ্যের চলচ্চিত্র প্রযোজক নাসরিন মুন্নি কবির শাহরুখ খানের জীবন অবলম্বনে দুই খন্ডের ডকুমেন্টারি তৈরী করেছেন, দ্য ইনার এন্ড আউটার ওয়ার্ল্ড অব শাহ রুখ খান (২০০৫) নামে। এতে শাহরুখ খানের ২০০৪ সালে অনুষ্ঠিত টেম্পটেশন কনসার্ট ট্যুরের বিভিন্ন সময়ে নেয়া সাক্ষাৎকার চিত্রিত হয়েছে। সম্প্রতি আরেকটি আত্মজীবনী প্রকাশিত হয়েছে “স্টিল রিডিং খান” (২০০৬) নামে যাতে শাহরুখ তার পরিবার ও জীবন নিয়ে কথা বলেছেন।
শাহরুখ খানকে ফরাসি সরকার চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ “Ordre des Arts et des Lettres” (অর্ডার অফ দ্য আর্টস এন্ড লিটারেচার) সম্মাননায় ভুষিত করেছে। লন্ডনে মাদাম তুসোর মোম জাদুঘরে তার মুর্তি রয়েছে।
ক্যারিয়ার
অভিনেতা
১৯৮৮ সালে ফৌজী টেলিভিশন সিরিয়ালে কমান্ডো অভিমন্যু রাই চরিত্রের মাধ্যমে অভিনেতা হিসেবে তিনি আত্মপ্রকাশ করেন। এরপর ১৯৮৯ সালে সার্কাস সিরিয়ালে তিনি কেন্দ্রীয় ভূমিকায় অভিনয় করেন, যেটি ছিল একজন সাধারন সার্কাস অভিনেতার জীবন নিয়ে রচিত। একই বছর তিনি অরুন্ধতী রায়ের In Which Annie Gives it Those Ones টেলি-চলচ্চিত্রে গৌণ চরিত্রে অভিনয় করেন। তার পিতা-মাতার মৃত্যুর পর নতুন জীবন শুরু করার লক্ষ্যে শাহরুখ নয়াদিল্লী ছেড়ে মুম্বাই পাড়ি জমান।
ফৌজীতে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি হেমা মালিনীর চোখে পড়েন যিনি শাহ রুখ খানকে তার অভিষেক ছবি দিল আশনা হ্যায়তে অভিনয়ের সুযোগ দেন। দিওয়ানা (১৯৯২) ছবির মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্রের জগতে যাত্রা শুরু করেন। এ ছবিতে তার বিপরীতে ছিলেন দিব্যা ভারতী। ছবিটি ব্যবসাসফল হয় এবং তিনি বলিউডে আসন গাড়তে সক্ষম হন। আসলে তার প্রথম ছবি হওয়ার কথা ছিল দিল আশনা হ্যায় কিন্তু দিওয়ানা প্রথমে মুক্তি পায়। একই বছরে তিনি আরও কিছু ছবি যেমন চমৎকার, বিতর্কিত আর্ট ফিল্ম মায়া মেমসাবে অভিনয় করেন।
১৯৯৩ সালে বাজিগর ও ডর ছবিতে খলচরিত্রে অভিনয় করে তিনি বিপুল খ্যাতি পান। ডর ছবিতে শাহরুখ একজন অপ্রকৃতস্থ প্রেমিক এর ভূমিকায় অভিনয় করেন, ছবিটি খুব সাফল্য লাভ করে এবং তিনি তারকা খ্যাতি পান। বাজিগর ছবির জন্য তিনি তার ক্যারিয়ারের প্রথম ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরষ্কার লাভ করেন। এছাড়া তিনি কভি হাঁ কভি না ছবিতে একজন ব্যর্থ যুবক ও প্রেমিকের চরিত্রে অভিনয় করেন যার কারনে তিনি সমালোচকদের রায়ে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা নির্বাচিত হন।
১৯৯৪ সালে তিনি আঞ্জাম ছবিতে অভিনয় করেন যেটি ব্যবসাসফল হয়নি। তবে সাইকোপ্যাথ হিসেবে তার অভিনয় সমাদৃত হয় এবং তিনি ১৯৯৫ সালে ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ ভিলেন পুরষ্কার লাভ করেন।
১৯৯৫ ছিল তার জন্য খুব সাফল্যের বছর। দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে বক্স অফিস রেকর্ড ভাঙ্গে এবং এর সব কৃতিত্ব পান তিনি। ছবিটি ৫২০ সপ্তাহের বেশি প্রদর্শিত হয়। ভারতের সর্বাধিকবার প্রচারিত ছবি হিসেবে যাকে তুলনা করা যায় শোলের সাথে যা ২৬০ সপ্তাহ চলেছিল। ছবিটি বর্তমানে বারো বছর ধরে প্রদর্শিত হচ্ছে এবং প্রায় ১২ বিলিয়ন রুপির চেয়েও বেশি অর্থ আয় করেছে।
দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গের পর তিনি বেশ কটি ছবিতে সাফল্য পান, যার অধিকাংশই ছিল প্রেম-কাহিনী। যশ চোপড়া এবং করন জোহরের সাথে মিলে তিনি বলিউডে সফলতা পেতে থাকেন। এসব চলচ্চিত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেঃ পরদেশ, দিল তো পাগল হ্যায় (১৯৯৭), কুছ কুছ হোতা হ্যায় (১৯৯৮), মোহাব্বতে (২০০০), কভি খুশি কভি গম (২০০১), কাল হো না হো (২০০৩) এবং বীর-জারা(২০০৪)। এছাড়া অন্যান্য পরিচালক যেমন, আজিজ মির্জার ইয়েস বস (১৯৯৭), মনসুর খানের জোশ (২০০০) এবং সঞ্জয় লীলা বনসালির দেবদাস (২০০২) ব্যবসা সফল হয়।
আঞ্জাম (১৯৯৪), দিল সে (১৯৯৮), স্বদেশ (২০০৪) ও পহেলি (২০০৫) ছবির জন্য শাহ রুখ খান সমালোচকদের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।
২০০৬ সালে করন জোহরের কভি আলবিদা না কেহনা (২০০৬) ছবিটি ভারতে মোটামুটি ব্যবসা করলেও বিদেশে ব্যবসাসফল হয়। একই বছরে ডন ছবিতে অভিনয় করেন যেটিও ব্যবসাসফল হয়েছিল।
২০০৭ সালে শাহরুখের প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ছিল চাক দে ইন্ডিয়া। বাণিজ্য সফল এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য শাহরুখ সপ্তমবারের জন্য ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেতার পুরস্কার পান। তাঁর অন্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ওম শান্তি ওম ২০০৭ সালের সবচেয়ে বাণিজ্য সফল ছবি।
২০০৮ সালে শাহরুখের রব নে বানা দি জোড়ি ছবিটি খুব ভাল ব্যবসা করে ।
বর্তমানে সারা বিশ্বে বলিউডের জনপ্রিয়তম ব্যাক্তিত্বদের মধ্যে শাহরুখ খান অন্যতম। তাঁর অভিনীত হে রাম,দেবদাস এওং পহেলি ভারত থেকে অস্কার এ পাঠানো হয়েছিল। শাহরুখ-কাজল জুটি বলিউডের অন্যতম সেরা জুটি হিসেবে স্বীকৃত। কাজলের সাথে তাঁর অভিনীত বাজীগর,দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে, করন অর্জুন, কুছ কুছ হোতা হ্যায়, কভি খুশি কভি গম। এই ৫টি ছবিই ব্যবসা-সফল হয়। ১৫ বছরের অভিনয়জীবনে তিনি ভারতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ও
জনপ্রিয়দের কাতারে অমিতাভ বচ্চন-এর পরবর্তীস্থান এর শক্ত দাবিদার। শাহরুখ খান এবং তার পরিবার
প্রযোজক
শাহরুখ খান বিভিন্ন ছবি প্রযোজনাতেও হাত দিয়েছেন। তবে এখানে তার সাফল্য মিশ্র প্রকৃতির। ১৯৯৯ সালে তিনি পরিচালক আজিজ মির্জা ও অভিনেত্রী জুহি চাওলার সাথে তিনি ড্রিমজ আনলিমিটেড নামে একটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। এই প্রতিষ্ঠানের প্রথম দুটি ছবি ফির ভি দিল হ্যায় হিন্দুস্তানি (২০০০) এবং অশোকা (২০০১) ব্যবসাসফল হয়নি।
তার প্রযোজিত তৃতীয় ছবি চলতে চলতে (২০০৩) ব্যবসাসফল হয়, ২০০৪ সালে তিনি আরেকটি প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন রেড চিলিস এন্টারটেইনমেন্ট নাম দিয়ে এবং এখান থেকে ম্যায় হুঁ না (২০০৪) চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন যা বলিউডে দারুন ব্যবসা করে। ২০০৫ সালে তিনি কল্পকাহিনী নিয়ে পহেলি চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন যা অ্যাকাডেমি পুরস্কারের জন্য ভারত থেকে মনোনয়ন পায়, তবে পুরষ্কার জিততে পারেনি। ভারতের চলচ্চিত্র জগতে পহেলি তেমন সফলতা পায়নি। একই বছর তিনি কাল নামে একটি চলচ্চিত্র সহ-প্রযোজনা করেন। এ ছবিতে তিনি অভিনয় না করলেও একটি গানের দৃশ্যে মালাইকা অরোরা খানের সাথে অভিনয় করেন। কাল মোটামুটি সফলতা পায়।
রেড চিলিস এন্টারটেইনমেন্ট থেকে নির্মিত পরের ছবি ওম শান্তি ওম ২০০৭ সালের সবথেকে সফল ছবি। এইছবিতে ৩০ জনের বেশি নামী অভিনেতা একটি গানের দৃশ্যে অভিনয় করেছেন।
টেলিভিশন উপস্থাপক
জনপ্রিয় ব্রিটিশ গেম শো হু ওয়ান্টস টু বি আ মিলিয়নিয়ার? এর হিন্দি সংস্করন কৌন বনেগা ক্রোড়পতি এ তিনি সঞ্চালকের ভূমিকা পালন করেছেন। এক্ষেত্রে তিনি সাবেক উপস্থাপক অমিতাভ বচ্চনের কাছ থেকে দায়িত্ব নেন যিনি ২০০০ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত এটি উপস্থাপনা করে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন। ভারতের টেলিভিশনের ইতিহাসে এটি অন্যতম জনপ্রিয় অনুষ্ঠান। ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি সোমবার শাহরুখ খান কেবিসি এর তৃতীয় মরশুম শুরু করেন। এই মরশুম শেষ হয় ২০০৭ সালের ১৯ এপ্রিলে। ২৫ এপ্রিল ২০০৮ থেকে শাহরুখ আর ইউ স্মার্টার দ্যান আ ফিফথ গ্রেডার? এর হিন্দি সংস্করণ ক্যা আপ পাঁচবি পাস সে তেজ হ্যায়? এর সঞ্চালকের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন।
ক্রিকেটে শাহরুখ (কলকাতা নাইট রাইডার্স)
শাহরুখ খান, তাঁর রেড চিলিস এন্টারটেনমেন্ট এর মাধ্যমে, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ এর দল কলকাতা নাইট রাইডার্সের অন্যতম মালিক। তিনি এবং তাঁর বন্ধু ও সহ-অভিনেত্রী জুহি চাওলার স্বামী জয় মেহতা এই দলটিকে কিনে নেন। প্রসংগত উল্লেখ্য যে শাহরুখ, কলকাতা ছাড়াও দিল্লী, মুম্বাই, চন্ডীগড় এবং জয়পুরের জন্য দরপত্র দিয়েছিলেন।
সম্মাননা
আন্তর্জাতিক সম্মাননা
- ২০০৭ – ফরাসি সরকার কর্তৃক Ordre des Arts et des Lettres (শিল্পকলা ও সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতি) উপাধি লাভ
- ২০০৬ – দুবাইয়ের গভর্নর প্রদত্ত সম্মাননা
- ২০০৬ – মাদাম তুসোর মোমের জাদুঘরে স্থাপনা মুর্তি
ফিল্মফেয়ার পুরষ্কার
- ২০০৮ – শ্রেষ্ঠ অভিনেতা – চাক দে ইন্ডিয়া
- ২০০৪ – শ্রেষ্ঠ অভিনেতা – স্বদেশ
- ২০০২ – শ্রেষ্ঠ অভিনেতা – দেবদাস
- ২০০০ – শ্রেষ্ঠ অভিনেতা, সমালোচকদের রায়ে – মোহাব্বতে
- ১৯৯৮ – শ্রেষ্ঠ অভিনেতা – কুছ কুছ হোতা হ্যায়
- ১৯৯৭ – শ্রেষ্ঠ অভিনেতা – দিল তো পাগল হ্যায়
- ১৯৯৫ – শ্রেষ্ঠ অভিনেতা – দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে
- ১৯৯৪ – শ্রেষ্ঠ ভিলেন – আঞ্জাম
- ১৯৯৩ – শ্রেষ্ঠ অভিনেতা, সমালোচকদের রায়ে – কাভি হাঁ কাভি না
- ১৯৯৩ – শ্রেষ্ঠ অভিনেতা – বাজীগর
- ১৯৯২ – শ্রেষ্ঠ উদীয়মান অভিনেতা – দিওয়ানা
বিশেষ পুরষ্কার
- ২০০২ – ফিল্মফেয়ার বিশেষ পুরষ্কার সুইস কনস্যুলেট ট্রফি
- ২০০৩ – ফিল্মফেয়ার শক্তি পুরষ্কার (যৌথভাবে – অমিতাভ বচ্চনের সাথে)
- ২০০৪ – ফিল্মফেয়ার শক্তি পুরষ্কার
অন্যান্য চলচ্চিত্র পুরষ্কার
- স্টার স্ক্রীন অ্যাওয়ার্ডস – ৭
- ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডিয়ান ফিল্ম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস – ২
- জি সিনে পুরষ্কার – ৬
- বলিউড মুভি অ্যাওয়ার্ডস – ৪
- গ্লোবাল ইন্ডিয়ান ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডস – ২
- রুপা সিনেগোয়ার পুরষ্কার – ১০
- সানসুই ভিউয়ার’স চয়েস মুভি পুরষ্কার – ৬
- আফজা পুরষ্কার – ২
- আশীর্বাদ পুরষ্কার – ১
- ডিজনি কিডস চ্যানেল পুরষ্কার – ১
- এম.টি.ভি. পুরষ্কার – ১
- স্পোর্টস ওয়ার্ল্ড পুরষ্কার – ১
- সাহারা ওয়ান সংগীত পুরষ্কার – ১ (আপুন বোলা গানের জন্য শ্রেষ্ঠ নায়ক ও গায়ক)
জাতীয় সম্মাননা
- ১৯৯৭ – শ্রেষ্ঠ ভারতীয় নাগরিক
- ২০০২ – রাজীব গান্ধী পুরষ্কার
- ২০০৫ – পদ্মশ্রী পুরষ্কার, ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ সরকারী সম্মান
- ২০০৭ – আওয়াদে আহমেদ ফারাহ
অন্যান্য
- ২০০১ – জেড ম্যাগাজিন (Jade Magazine) পুরষ্কার এশিয়ার সবচেয়ে যৌনাবেদনময়ী পুরুষ
- ২০০৪ – এশিয়ান গিল্ড (Asian Guild) পুরষ্কার বলিউডের যুগের শ্রেষ্ঠ তারকা
- ২০০৪ – পেপসি সবচেয়ে প্রিয় তারকা পুরষ্কার
- ২০০৪ – ‘এফ-পুরষ্কার’ ভারতীয় ফ্যাশন তারকা মডেল
- ২০০৪ – ছোট কা ফুন্ডা পুরষ্কার
- ২০০৪ – টাইম ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ
- ২০০৪ – সবচেয়ে তেজ বছরের শ্রেষ্ঠ পারসোনালিটি
- ২০০৪ – এম.এস.এন. বছরের শ্রেষ্ঠ সার্চ পারসোনালিটি পুরষ্কার
- ২০০৫ – ন্যাশনাল জিওগ্রাফি ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ
- ২০০৬ – “হামীর-ই-হিন্দ” খেতাব, “দেশভক্ত” সংবাদপত্র থেকে
অভিনয়কৃত চরিত্রের নাম
তিনি সর্বাধিক রাহুল নামবিশিষ্ট চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এখানে কিছু অভিনীত চরিত্রের নাম ও সিনেমার নাম দেওয়া হল।
রাহুল – ডর, জামানা দিওয়ানা, ইয়েস বস, দিল তো পাগল হ্যায়, কুছ কুছ হোতা হ্যায়, হর দিল যো পেয়ার করেগা, কাভি খুশি কাভি গাম
রাজ – দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে, বাদশা, মোহাব্বতে, চলতে চলতে
বিজয় – আনজাম, করন অর্জুন, ডন
ছবির তালিকা
| বছর | ছবির নাম | চরিত্র | টুকিটাকি | |
|---|---|---|---|---|
| ২০১০ | মাই নেম ইজ খান | রিজওয়ান খান | ||
| কুচি কুচি হোতা হে | রকি | নির্মাণ চলছে | ||
| দুলহা মিল গ্যায়া | অতিথি চরিত্র | |||
| ২০০৯ | লাক বাই চান্স | নিজ় | বিশেষ উপস্থিতি | |
| বিল্লু | শায়ের খান | |||
| ২০০৮ | রব নে বনা দি জোড়ি | সুরিন্দর সানি/রাজ | মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরষ্কার | |
| শৌর্য | ভাষ্য | |||
| ক্রেজি ৪ | বিশেষ উপস্থিতি “ব্রেক ফ্রি” গানে | |||
| ভুতনাথ | বিশেষ উপস্থিতি | |||
| ২০০৭ | চাক দে ইন্ডিয়া | কবির খান | বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেতা | |
| হেই বেবি | বিশেষ উপস্থিতি “মস্ত কলন্দর” গানে | |||
| ওম শান্তি ওম | ওমপ্রকাশ মাখিজা/ওম কাপুর | ২০০৭ এর সেরা বাণিজ্য সফল ছবি | ||
| ডন ২ | ডন | পরিকল্পনা চলছে | ||
| ২০০৬ | আলগ | বিশেষ উপস্থিতি, সবসে আলগ গানে | ||
| কাভি আলবিদা না কেহনা | দেব সারন | মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরষ্কার | ||
| ডন | ডন/বিজয় | মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরষ্কার | ||
| আই সি ইউ | বিশেষ উপস্থিতি, সুবাহ সুবাহ হানে | |||
| ২০০৫ | The Inner and Outer World of Shah Rukh Khan | নিজ (আত্মজীবনী) | নাসরিন মুন্নি কবির এর পরিচালনায় আত্মজীবন | |
| পহেলি | কিষেণলাল/ভুত | ভারতের অস্কার মনোনয়ন | ||
| সিলসিলে | সূত্রধর, বিশেষ উপস্থিতি | |||
| কাল | বিশেষ উপস্থিতি, কাল ধামাল গানে | |||
| কুছ মিঠা হো যায়ে | নিজ, বিশেষ উপস্থিতি | |||
| ২০০৪ | স্বদেশ | মোহন ভার্গভ | বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরষ্কার | |
| হাম হ্যায় লাজওয়াব | মি. লাজওয়াব | “The Incredibles” এর হিন্দি ডাবিং | ||
| বীর-জারা | বীর প্রতাপ সিং | মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরষ্কার | ||
| ম্যায় হুঁ না | মেজর রাম প্রসাদ শর্মা | মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরষ্কার | ||
| ইয়ে লমহে জুদাই কে | দুশন্ত | এই ছবি বানাতে প্রায় ১০ বছর লেগেছে | ||
| ২০০৩ | কাল হো না হো | আমন মাথুর | মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরষ্কার | |
| চলতে চলতে | রাজ মাথুর | |||
| ২০০৩ | সাথিয়া | যশবন্ত রাও, বিশেষ উপস্থিতি | ||
| শক্তি: দ্য পাওয়ার | জয় সিং, বিশেষ উপস্থিতি | |||
| দেবদাস | দেবদাস মুখার্জি | বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরষ্কার, অস্কার প্রতিযোগিতায় ভারতের ছবি | ||
| হাম তুমহারে হ্যায় সনম | গোপাল | |||
| ২০০১ | কাভি খুশি কাভি গাম | রাহুল রায়চাদ | মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরষ্কার | |
| অশোকা | অশোকা | |||
| ওয়ান টু কা ফোর | অরুন ভার্মা | |||
| ২০০০ | গজ গামিনী | শাহরুখ, বিশেষ উপস্থিতি | ||
| মোহাব্বতে | রাজ আরিয়ান মেলহোত্রা | বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার সমালোচকের রায়ে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরষ্কার মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরষ্কার | ||
| হার দিল যো পেয়ার কারেগা | রাহুল, বিশেষ উপস্থিতি | |||
| জোশ | ম্যাক্স | |||
| হে রাম | আমজাদ আলি খান | ভারতের অস্কার মনোনয়ন | ||
| ফির ভি দিল হ্যায় হিন্দুস্তানি | অজয় বকশি | শাহরুখের প্রথম প্রযোজনা | ||
| ১৯৯৯ | বাদশা | রাজ ‘বাদশা’ হীরা | মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ কমেডিয়ান পুরস্কার | |
| ১৯৯৮ | কুছ কুছ হোতা হ্যায় | রাহুল খান্না | বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরষ্কার | |
| দিল সে | অমরকান্ত ভার্মা | |||
| আচানক | বিশেষ উপস্থিতি | |||
| ডুপ্লিকেট | বাবলু চৌধুরি/মনু দাদা | মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ ভিলেন পুরষ্কার | ||
| ১৯৯৭ | দিল তো পাগল হ্যায় | রাহুল | বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরষ্কার | |
| পরদেশ | অর্জুন সাগর | |||
| ইয়েস বস | রাহুল জোসি | মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরষ্কার | ||
| কয়লা | শঙ্কর | |||
| গুদগুদি | বিশেষ উপস্থিতি | |||
| ১৯৯৬ | দুশমন দুনিয়া কা | বাদ্রু, বিশেষ উপস্থিত | ||
| আর্মি | অর্জুন, বিশেষ উপস্থিতি | |||
| চাহত | রূপ রাঠোর | |||
| ইংলিশ বাবু দেশি মেম | বিক্রম/হ্যারি/গোপাল মায়ুর | |||
| ১৯৯৫ | ত্রিমুর্তি | রমি সিং/ভোলে | ||
| রাম জানে | রাম জানে | |||
| দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে | রাজ মেলহোত্রা | বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরষ্কার | ||
| ওহ ডার্লিং! ইয়ে হ্যায় ইন্ডিয়া | হিরো | |||
| গুড্ডু | গুড্ডু বাহাদুর | |||
| জমানা দিওয়ানা | রাহুল মেলহোত্রা | |||
| করন অর্জুন | অর্জুন সিং/ভিজয় | |||
| ১৯৯৪ | আঞ্জাম | বিজয় অগ্নিহোত্রী | বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ ভিলেন পুরষ্কার | |
| ১৯৯৩ | কাভি হা কাভি না | সুনীল | বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার সমালোচকদের রায়ে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরষ্কার | |
| ডর | রাহুল মেহরা | মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ ভিলেন পুরষ্কার | ||
| বাজীগর | অজয় শর্মা/ভিকি মেলহোত্রা | বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরষ্কার | ||
| কিং আঙ্কেল | অনিল | |||
| ১৯৯২ | দিওয়ানা | রাজা সাহাই | বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিষেক পুরস্কার | |
| মায়া মেমসাব | ললিত | |||
| দিল আশনা হ্যায় | করন | |||
| রাজু বান গেয়া জেন্টলম্যান | রাজু (রাজ মাথুর) | |||
| চমৎকার | সুন্দর শ্রীনিবাস্তব | |||
| ১৯৮৮ | In Which Annie Gives it Those Ones |
প্রযোজক
- ওম শান্তি ওম (২০০৭)
- মাই নেম ইজ অ্যান্থনি গঞ্জালভেজ (২০০৭)
- কাল (২০০৫)
- পেহেলি (২০০৫)
- ম্যায় হু না (২০০৪)
- চলতে চলতে (২০০৩)
- আশোকা (২০০১)
- ফির ভি দিল হ্যায় হিন্দুস্তানি (২০০০)
টিভি ক্যারিয়ার
- দিল দরিয়া (১৯৮৭)
- ফৌজী (১৯৮৮) – অভিমন্যু রাই
- সার্কাস (১৯৮৯)
- In Which Annie Gives It Those Ones (১৯৮৯)
- দুসরা কেওয়াল
- ইডিয়ট (১৯৯১) – পবন রঘুজান
- কারিনা কারিনা (২০০৪) – বিশেষ উপস্থিতি
- কৌন বনেগা ক্রোড়পতি (২০০৭) – সঞ্চালক
- আন্তাক্ষরী দ্য গ্রেট চ্যালেঞ্জ (২০০৭) – বিশেষ অতিথি
- ক্যা আপ পাঁচবী পাস সে তেজ হ্যায়? (২০০৮) – সঞ্চালক

কোটি কোটি ভক্তের হৃদয়জুড়ে আছে শাহরুখ, শাহরুখ থাকবে…
——————————————————
বেশিরভাগ সময় সফটয়্যার দিয়ে আমি টিউন করে থাকি কিন্তু আজ ইচ্ছে হলো অন্য রকম টিউন করার। টিউনটি করার সময় আমাকে একটু দ্বিধায় পরতে হয়েছে কারন টেকটিউনস্ হলো প্রযুক্তি বিষয়ক সাইট আর এই সাইটে আমার এই টিউনটি আপনারা কিভাবে নিবেন, আশা করি শাহরুখ খান ভালোভাবে জানতে আমার টিউনটি কাজে আসবে। আপনাদের মন্তব্যের উপর নির্ভর করবে আসলে টিউনটি কতটা মানানসই টেকটিউনসে এবং পরবর্তীতে আরো ভিন্ন কিছু টিউন করতে। সবাই ভালো থাকবেন সেই শুভ কামনা সবসময়……
- Thursday, March 04, 2010
- 0 Comments
৬ কোটি ২০ লক্ষ লোক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মারা গিয়েছিল (সম্ভবত) । যাদের ভিতর ২ কোটি ৫০ লক্ষ লোক ছিল সৈনিক আর ৩ কোটি ৭০ লক্ষ লোক ছিল সাধারন মানুয । এই আন্দাজটা নানা লোকের মতে বেশ কিছু কমবেশীও হতে পারে ।
মৃতের ভিতরে প্রায় ৮০ % ছিল মিত্র শক্তির আর ২০ % ছিল অক্ষ শক্তির ।
মিত্র শক্তির প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ সৈনিক নিহত হয়েছিল যাদের মধ্যে ১ কোটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আর ৪০ লক্ষ ছিল চিনের ।
অক্ষশক্তির ৮০ লক্ষ সৈনিক নিহত হয়েছিল যাদের ভিতরে জার্মান ছিল ৫০ লক্ষ ।
আজ অবধি সোভিয়েত ইউনিয়নেরই যুদ্ধে সবথেকে বেশী লোক নিহত হয়েছে । সোভিয়েত ইউনিয়নের মোট ২ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ নিহত হয় যাদের ভিতরে ১ কোটি ২০ লক্ষ সাধারন মানুষ ছিল । এই মৃত দের মধ্যে সোভিয়েত কিছু নিজের দেশের মানুযকেই হত্যা করেছিল সে হিসাবও আছে ।
সোভিয়েত ইউনিয়ন আর চিনের মৃতের সংখ্যা নিয়ে অনেক তর্ক আছে । কারন এগুলি ঠিক ভাবে লিপিবদ্ধ হয়নি । কেউ কেউ চিনের মৃত্যু সংখ্যা দ্বিগুন বলেও মনে করেন ।
এই যুদ্ধে ভারতের প্রায় ৮৭ হাজার সৈন্যের মৃত্যু হয় যাদের মধ্যে প্রায় ২৬০০ জন ছিল আজাদ হিন্দ ফৌজের সেনা । যুদ্ধ সংক্রান্ত কারনে ১৯৪৩ সালে বাংলায় দেখা দেয় মন্বন্তর যাতে ৩৫ লক্ষেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটেছিল ।
নাৎসিরা প্রায় ৯০ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছিল যাদের ভিতরে দুই তৃতীয়াংশ ছিল ইহুদি ।
১৯৩৭ সালে চিনের নানকিং এ জাপানিরা প্রায় ৩ লক্ষ চিনাকে হত্যা করেছিল ।
যুদ্ধের প্রায় শেষে আমেরিকা জাপানে পরমানু বোমা ফেলে । তাতে হিরোশিমাতে ১ লক্ষ ৪০ হাজার ও নাগাসাকিতে ৭৪ হাজার লোকের মৃত্যু হয় ।
হিরোশিমাতে প্রায় ২ হাজার জাপানী আমেরিকান আর ১১ জন আমেরিকান যুদ্ধবন্দীরও মৃত্যু হয়েছিল ।
মৃতদের মধ্যে ২২ হাজার কোরিয়ানও ছিল যাদের ভিতর ২০ হাজার নিহত হয় হিরোশিমাতে আর ২ হাজার নাগাসাকিতে ।
যুদ্ধ শেষ হবার পরে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয় । কিন্তু দুঃখের বিষয় মিত্রশক্তির কোনো যুদ্ধাপরাধীর বিচার আজও হয়নি ।
আরো জানতে দেখুন http://en.wikipedia.org/wiki/World_War_II_casualties
মৃতের ভিতরে প্রায় ৮০ % ছিল মিত্র শক্তির আর ২০ % ছিল অক্ষ শক্তির ।
মিত্র শক্তির প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ সৈনিক নিহত হয়েছিল যাদের মধ্যে ১ কোটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আর ৪০ লক্ষ ছিল চিনের ।
অক্ষশক্তির ৮০ লক্ষ সৈনিক নিহত হয়েছিল যাদের ভিতরে জার্মান ছিল ৫০ লক্ষ ।
আজ অবধি সোভিয়েত ইউনিয়নেরই যুদ্ধে সবথেকে বেশী লোক নিহত হয়েছে । সোভিয়েত ইউনিয়নের মোট ২ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ নিহত হয় যাদের ভিতরে ১ কোটি ২০ লক্ষ সাধারন মানুষ ছিল । এই মৃত দের মধ্যে সোভিয়েত কিছু নিজের দেশের মানুযকেই হত্যা করেছিল সে হিসাবও আছে ।
সোভিয়েত ইউনিয়ন আর চিনের মৃতের সংখ্যা নিয়ে অনেক তর্ক আছে । কারন এগুলি ঠিক ভাবে লিপিবদ্ধ হয়নি । কেউ কেউ চিনের মৃত্যু সংখ্যা দ্বিগুন বলেও মনে করেন ।
এই যুদ্ধে ভারতের প্রায় ৮৭ হাজার সৈন্যের মৃত্যু হয় যাদের মধ্যে প্রায় ২৬০০ জন ছিল আজাদ হিন্দ ফৌজের সেনা । যুদ্ধ সংক্রান্ত কারনে ১৯৪৩ সালে বাংলায় দেখা দেয় মন্বন্তর যাতে ৩৫ লক্ষেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটেছিল ।
নাৎসিরা প্রায় ৯০ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছিল যাদের ভিতরে দুই তৃতীয়াংশ ছিল ইহুদি ।
১৯৩৭ সালে চিনের নানকিং এ জাপানিরা প্রায় ৩ লক্ষ চিনাকে হত্যা করেছিল ।
যুদ্ধের প্রায় শেষে আমেরিকা জাপানে পরমানু বোমা ফেলে । তাতে হিরোশিমাতে ১ লক্ষ ৪০ হাজার ও নাগাসাকিতে ৭৪ হাজার লোকের মৃত্যু হয় ।
হিরোশিমাতে প্রায় ২ হাজার জাপানী আমেরিকান আর ১১ জন আমেরিকান যুদ্ধবন্দীরও মৃত্যু হয়েছিল ।
মৃতদের মধ্যে ২২ হাজার কোরিয়ানও ছিল যাদের ভিতর ২০ হাজার নিহত হয় হিরোশিমাতে আর ২ হাজার নাগাসাকিতে ।
যুদ্ধ শেষ হবার পরে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয় । কিন্তু দুঃখের বিষয় মিত্রশক্তির কোনো যুদ্ধাপরাধীর বিচার আজও হয়নি ।
আরো জানতে দেখুন http://en.wikipedia.org/wiki/World_War_II_casualties
- Saturday, February 27, 2010
- 0 Comments
৬ কোটি ২০ লক্ষ লোক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মারা গিয়েছিল (সম্ভবত) । যাদের ভিতর ২ কোটি ৫০ লক্ষ লোক ছিল সৈনিক আর ৩ কোটি ৭০ লক্ষ লোক ছিল সাধারন মানুয । এই আন্দাজটা নানা লোকের মতে বেশ কিছু কমবেশীও হতে পারে ।
মৃতের ভিতরে প্রায় ৮০ % ছিল মিত্র শক্তির আর ২০ % ছিল অক্ষ শক্তির ।
মিত্র শক্তির প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ সৈনিক নিহত হয়েছিল যাদের মধ্যে ১ কোটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আর ৪০ লক্ষ ছিল চিনের ।
অক্ষশক্তির ৮০ লক্ষ সৈনিক নিহত হয়েছিল যাদের ভিতরে জার্মান ছিল ৫০ লক্ষ ।
আজ অবধি সোভিয়েত ইউনিয়নেরই যুদ্ধে সবথেকে বেশী লোক নিহত হয়েছে । সোভিয়েত ইউনিয়নের মোট ২ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ নিহত হয় যাদের ভিতরে ১ কোটি ২০ লক্ষ সাধারন মানুষ ছিল । এই মৃত দের মধ্যে সোভিয়েত কিছু নিজের দেশের মানুযকেই হত্যা করেছিল সে হিসাবও আছে ।
সোভিয়েত ইউনিয়ন আর চিনের মৃতের সংখ্যা নিয়ে অনেক তর্ক আছে । কারন এগুলি ঠিক ভাবে লিপিবদ্ধ হয়নি । কেউ কেউ চিনের মৃত্যু সংখ্যা দ্বিগুন বলেও মনে করেন ।
এই যুদ্ধে ভারতের প্রায় ৮৭ হাজার সৈন্যের মৃত্যু হয় যাদের মধ্যে প্রায় ২৬০০ জন ছিল আজাদ হিন্দ ফৌজের সেনা । যুদ্ধ সংক্রান্ত কারনে ১৯৪৩ সালে বাংলায় দেখা দেয় মন্বন্তর যাতে ৩৫ লক্ষেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটেছিল ।
নাৎসিরা প্রায় ৯০ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছিল যাদের ভিতরে দুই তৃতীয়াংশ ছিল ইহুদি ।
১৯৩৭ সালে চিনের নানকিং এ জাপানিরা প্রায় ৩ লক্ষ চিনাকে হত্যা করেছিল ।
যুদ্ধের প্রায় শেষে আমেরিকা জাপানে পরমানু বোমা ফেলে । তাতে হিরোশিমাতে ১ লক্ষ ৪০ হাজার ও নাগাসাকিতে ৭৪ হাজার লোকের মৃত্যু হয় ।
হিরোশিমাতে প্রায় ২ হাজার জাপানী আমেরিকান আর ১১ জন আমেরিকান যুদ্ধবন্দীরও মৃত্যু হয়েছিল ।
মৃতদের মধ্যে ২২ হাজার কোরিয়ানও ছিল যাদের ভিতর ২০ হাজার নিহত হয় হিরোশিমাতে আর ২ হাজার নাগাসাকিতে ।
যুদ্ধ শেষ হবার পরে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয় । কিন্তু দুঃখের বিষয় মিত্রশক্তির কোনো যুদ্ধাপরাধীর বিচার আজও হয়নি ।
আরো জানতে দেখুন http://en.wikipedia.org/wiki/World_War_II_casualties
মৃতের ভিতরে প্রায় ৮০ % ছিল মিত্র শক্তির আর ২০ % ছিল অক্ষ শক্তির ।
মিত্র শক্তির প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ সৈনিক নিহত হয়েছিল যাদের মধ্যে ১ কোটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আর ৪০ লক্ষ ছিল চিনের ।
অক্ষশক্তির ৮০ লক্ষ সৈনিক নিহত হয়েছিল যাদের ভিতরে জার্মান ছিল ৫০ লক্ষ ।
আজ অবধি সোভিয়েত ইউনিয়নেরই যুদ্ধে সবথেকে বেশী লোক নিহত হয়েছে । সোভিয়েত ইউনিয়নের মোট ২ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ নিহত হয় যাদের ভিতরে ১ কোটি ২০ লক্ষ সাধারন মানুষ ছিল । এই মৃত দের মধ্যে সোভিয়েত কিছু নিজের দেশের মানুযকেই হত্যা করেছিল সে হিসাবও আছে ।
সোভিয়েত ইউনিয়ন আর চিনের মৃতের সংখ্যা নিয়ে অনেক তর্ক আছে । কারন এগুলি ঠিক ভাবে লিপিবদ্ধ হয়নি । কেউ কেউ চিনের মৃত্যু সংখ্যা দ্বিগুন বলেও মনে করেন ।
এই যুদ্ধে ভারতের প্রায় ৮৭ হাজার সৈন্যের মৃত্যু হয় যাদের মধ্যে প্রায় ২৬০০ জন ছিল আজাদ হিন্দ ফৌজের সেনা । যুদ্ধ সংক্রান্ত কারনে ১৯৪৩ সালে বাংলায় দেখা দেয় মন্বন্তর যাতে ৩৫ লক্ষেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটেছিল ।
নাৎসিরা প্রায় ৯০ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছিল যাদের ভিতরে দুই তৃতীয়াংশ ছিল ইহুদি ।
১৯৩৭ সালে চিনের নানকিং এ জাপানিরা প্রায় ৩ লক্ষ চিনাকে হত্যা করেছিল ।
যুদ্ধের প্রায় শেষে আমেরিকা জাপানে পরমানু বোমা ফেলে । তাতে হিরোশিমাতে ১ লক্ষ ৪০ হাজার ও নাগাসাকিতে ৭৪ হাজার লোকের মৃত্যু হয় ।
হিরোশিমাতে প্রায় ২ হাজার জাপানী আমেরিকান আর ১১ জন আমেরিকান যুদ্ধবন্দীরও মৃত্যু হয়েছিল ।
মৃতদের মধ্যে ২২ হাজার কোরিয়ানও ছিল যাদের ভিতর ২০ হাজার নিহত হয় হিরোশিমাতে আর ২ হাজার নাগাসাকিতে ।
যুদ্ধ শেষ হবার পরে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয় । কিন্তু দুঃখের বিষয় মিত্রশক্তির কোনো যুদ্ধাপরাধীর বিচার আজও হয়নি ।
আরো জানতে দেখুন http://en.wikipedia.org/wiki/World_War_II_casualties
- Saturday, February 27, 2010
- 0 Comments



